
পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নে চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ে রোভার স্কাউট গ্রুপের দিনব্যাপী বার্ষিক তাঁবুবাস, দীক্ষা ও ব্যাজ প্রদান ক্যাম্প-২০২৬ ইং সম্পন্ন হয়েছে। ক্যাম্পে চক্রশা স্কুলের ৪০ জন শিক্ষার্থী দীক্ষা গ্রহণ করে ইউনিট রোভার স্কাউট গ্রুপের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করেছেন।
২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার দিনব্যাপী ক্যাম্পে অ্যারোবিক্স, হাইকিং, কিমস গেইম, ক্যাম্প ফায়ার ও মহাতাঁবু জলসা, নবাগতদের দীক্ষা প্রদান করেন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন পটিয়া উপজেলা স্কাউট সহ সভাপতি ও চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন। তৃষ্ণা বড়ুয়ার সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, মুস্তাফিজুর রহমান, এএলটি কমিশনার বাংলাদেশ স্কাউট পটিয়া উপজেলা। উদ্বোধক ছিলেন পীযুষ কুমার দে, এএলটি বাংলাদেশ স্কাউট চট্টগ্রাম অঞ্চল। বিশেষ অতিথি ছিলেন মোহাম্মদ নিজাম উদ্দীন সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ স্কাউট পটিয়া উপজেলা।
স্কুলের সহকারী প্রধান সমর কান্তি বিশ্বাস প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে চক্রশালা কৃষি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, রোভার মুট কেবল ক্যাম্পিং বা বিনোদনমূলক আয়োজন নয়; এটি তরুণ সমাজকে নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, আত্মনির্ভরতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতায় উদ্বুদ্ধ করার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে রোভার স্কাউটরা ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের বিভিন্ন সংকটে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এগিয়ে আসবে এবং মানবিক বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে, স্কাউট সদস্যদের বাধ্যতামূলকভাবে অর্জন করতে হয় কমপক্ষে ১৬টি পারদর্শিতা ব্যাজ, যার মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসা, ক্যাম্পিং, পরিবেশ সুরক্ষা, রান্না, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমাজসেবা, নেতৃত্ব গুণাবলি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, রোভার স্কাউটদের দায়িত্বশীল নাগরিক, আত্মনির্ভরশীল, নেতৃত্বগুণ সম্পন্ন, মানবিক এবং সমাজসেবী গুণাবলী অর্জন করতে হবে,
ভবিষ্যতে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি অবসরকে গঠনমূলক কাজে লাগাতে সাহায্য করে, এর জন্য স্কাউট আইন ও প্রতিজ্ঞা অনুসরণ, সেবা ও দক্ষতা বৃদ্ধি, এবং মুক্তাঙ্গনে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রয়োজন, যা তাদের জীবনে “সেবা” মূলমন্ত্রে ব্রতী করে তোলে।