1. info@www.shadhinbanglatv.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. live@shadhinbanglatv.com : www.shadhinbanglatv.com www.shadhinbanglatv.com : www.shadhinbanglatv.com www.shadhinbanglatv.com
  3. info@www.shadhinbanglatv.com : TV :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন

তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজে নিয়োগের আগেই কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযান তানোরে!

স্টাফ রিপোর্টার।
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার।

তানোর পৌর এলাকার ঐতিহ্যবাহী তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ ও কর্মচারী নিয়োগের আগেই কোটি টাকা দেল-দেন করে ও স্বজন প্রীতির মাধ্যমে নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন গভর্নিং বডি সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং কতিপয় রাজনৈতিক পদধারী শিক্ষক নেতারা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এঘটনায় গত ১১- জানুয়ারী তালন্দ গ্রামের আব্দুস সালাম নামের এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তার অনুলিপি ডাকযোগে, উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ট্রেজারার, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মহাপরিচালক, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, পরিচালক, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্ত রাজশাহী, মহাপরিচালকে প্রতিনিধি, অধ্যক্ষ রাজশাহী কলেজ, চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানোর, সভাপতি গভর্নিং বডি, তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজ বরাবর পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও দলীয় প্রভাবে অনিয়মের মাধ্যমে জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে পদায়ন দেয়া হয়েছে বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। গভর্নিং বডির সভাপতি করা হয় ওই কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিম উদ্দিন কবিরাজ কে। তিনি স্বৈরাচার সরকারের সময় পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সাক্ষরে তানোর (চাপড়া) মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার মাধ্যমে ও কিছু দলীয় শিক্ষক এবং নেতাদের তদবিরে প্রায় কোটি টাকার বিনিময়ে অধ্যক্ষ সহ চারটি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে মরিয়া হয়ে পড়েছেন। এতে করে স্থানীয়দের মাঝে প্রচুর উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিয়োগ বোর্ড হলে রক্ত ক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন কলেজ এলাকার বাসিন্দারা।
এদিকে নিয়োগকে কেন্দ্র করে কয়েক ভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন শিক্ষক ও স্থানীয়রা।

অভিযোগে উল্লেখ, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্যতা থাকা সত্বেও অধ্যক্ষ পদে ওই কলেজের মাত্র দুজন শিক্ষক কে আবেদনের সুযোগ করে দেয়া হয়। বাকিদের যোগ্যতা থাকার পরও আবেদন করতে দেয়া হয়নি। তাদের মধ্যে ওই কলেজের শিক্ষক ওমর আলীকে অধ্যক্ষ পদে এবং চারজন কর্মচারী নিয়োগের জন্য প্রায় কোটি টাকার বিনিময়ে আগামী ১৬-জানুয়ারি নিয়োগ বোর্ড করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও রাজনৈতিক দলের নেতারা। গত অক্টোবর মাসের ৬-তারিখে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হন সাবিহা সুলতানা। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে রাজনৈতিক নামধারী শিক্ষক নেতারা ও গভর্নিং বডির সভাপতি নিয়োগ বোর্ডের জন্য নানা মূখী চাপ দেয়া শুরু করেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগ দিতে চাইলে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। পরে জৈষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে সভাপতি ও শিক্ষক সিন্ডিকেট চক্র নজরুল ইসলাম কে পদায়ন দেয়া হয়। যার কারনে সিনিয়র শিক্ষক দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শিক্ষক দের মধ্যে ব্যাপক লবিং- গ্রুপিং চলমান রয়েছে।

অভিযোগ কারী আব্দুস সালাম জানান, নিয়োগ দেয়ার জন্য সভাপতির নেতৃত্বে শিক্ষক দের নিয়ে নিয়োগ সিন্ডিকেট তৈরি করা হয়েছে। যাদেরকে নিয়োগ দেয়া হবে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে আগে থেকেই সবকিছু ঠিকঠাক করা হয়েছে। পুর্বের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাবিহা সুলতানা তাদের কথামত নিয়োগ বোর্ড করতে রাজি না হওয়ার কারনে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। এমন কি গত ২- জানুয়ারী (শুক্রবার) শহরে নিয়োগ বোর্ড করার দিন ধার্য করা হয়েছিল। সে দিন রাস্ট্রীয় শোক চলছিল। কিন্তু স্থানীয় জনগণের বাধার কারনে নিয়োগ বোর্ড করতে পারেনি।

সরকারি ভাবে পরিপত্র জারি হয় এই বলে যে কলেজের কর্মচারী নিয়োগ হবে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে, আর অধ্যক্ষ নিয়োগ হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে। কিন্তু তালন্দ কলেজের সভাপতি ও কিছু দলীয় শিক্ষকরা কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে আগামী ১৬-জানুয়ারি পুনরায় নিয়োগ বোর্ড করার দিন ধার্য করেছেন। যদি কলেজে নিয়োগ বোর্ড হয় তাহলে রক্ত ক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। কারন নিয়োগ নিয়ে স্থানীয় দের মাঝে প্রচুর উত্তেজনা বিরাজ করছে। এছাড়াও চার পাঁচ জন সিনিয়র শিক্ষক কে রেখে সভাপতি তার মনের মত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নজরুল কে দায়িত্ব দেয়। সভাপতির এক স্বজনকে নিয়োগ দিবে বলেও এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে। এসবের মাস্টার মাইড অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেতে মরিয়া প্রভাষক ওমর আলী ও তার সহযোগিরা। কারন এখানে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে না। হবে সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে। প্রভাষক ওমর আলীর সাথে গত সোমবার মোবাইলে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, মেধার ভিত্তিতে সব নিয়োগ হবে বলে অবহিত। নিয়োগে কোন অনিয়ম হবে না। আপনি নাকি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ নিচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, নিয়োগ পরিক্ষার রেজাল্ট ভালো হলে হতে পারে।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিয়োগ বিষয়ে কলেজের গভর্নিং বডির সদস্যরা এবং সভাপতি ভালো বলতে পারবেন। এখানে আমার কিছুই বলার নাই। যা কিছু বলার সভাপতি বলতে পারবেন। আপনি নাকি জৈষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়েছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, যে কয়জন সিনিয়র শিক্ষক আছে তার মধ্যে আমি একজন। গভর্নিং বডি আমাকে ভালো মনে করেছে এজন্য দায়িত্ব দিয়েছে। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কলেজের কর্মচারী নিয়োগ দিবে জেলা প্রশাসক আর অধ্যক্ষ নিয়োগ হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিপত্রের আগে যে সব কলেজে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে তারা নিয়োগ দিতে পারবে। তালন্দ কলেজে পরিপত্রের আগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল এজন্য নিয়োগ দেয়া যাবে। নিয়োগ বোর্ড কবে এবং কোথায় হবে জানতে চাইলে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ১৬-জানুয়ারী দিন ধার্য রয়েছে, আর কলেজে হবে নিয়োগ বোর্ড।
গভর্নিং বডির সভাপতি তালন্দ কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিম উদ্দিন কবিরাজের সাথে মোবাইলে কথা বলে নিয়োগ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে জানান, নিয়োগের এক কোটি না দশ কোটি টাকা নিয়েছি বলে ত

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© shadhinbanglatv.com
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট