1. info@www.shadhinbanglatv.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. live@shadhinbanglatv.com : www.shadhinbanglatv.com www.shadhinbanglatv.com : www.shadhinbanglatv.com www.shadhinbanglatv.com
  3. info@www.shadhinbanglatv.com : TV :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন

১৭ বছর পর স্বদেশে তারেক রহমান✈️ রাজনীতিতে সুবাতাস🌾

🖊️এম.এম হায়দার আলী 🖊️
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

🖊️এম.এম হায়দার আলী 🖊️
🇧🇩 দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিএনপির নেতা–কর্মীদের কাছে এটি যেমন স্বস্তি ও আশার সুবাতাস, তেমনি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে এটি ভবিষ্যৎ সমীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। নেতৃত্বের শূন্যতা পূরণের প্রত্যাশা ইং ২০০৭ সালে দেশ ত্যাগের পর দীর্ঘ সময় প্রবাসে থাকায় বিএনপির নেতৃত্ব কাঠামোতে এক ধরনের আঞ্চলিক দূরত্ব তৈরি হলেও প্রত্যাবর্তনের পর রাজধানী থেকে তৃণমূল সব জায়গায় দেখা যাচ্ছে নতুন উদ্দীপনা।
একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন,জনাব তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছে। এখন সংগঠনের প্রতিটি স্তরকে এক সুতোয় গাঁথার সুযোগ এসেছে। অন্যদিকে উদীয়মান তরুণ কর্মীরা মনে করছেন, এই প্রত্যাবর্তন তাদের রাজনীতিতে নতুন আগ্রহ সৃষ্টি করবে।বিশেষত দল পুনর্গঠন, ডিজিটাল প্রচার ও মাঠের রাজনীতিতে। দীর্ঘ নির্বাসন ও বহু বিতর্ক তারেক রহমানের রাজনৈতিক যাত্রা সব সময় ঘটনাবহুল। যেমন ইং ২০০৭ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা, মামলা, চিকিৎসা এবং বিদেশে থাকা—সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রে। সে সময় থেকেই বিএনপির রাজনীতি মূলত দলটির চেয়ারপার্সন আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই চলেছে। তবে নির্বাসন থাকা অবস্থায়ও তারেক রহমান অনলাইনের মাধ্যমে দল পরিচালনায় ভূমিকা রেখেছেন। তবে রাজনীতিতে শূন্যতা পূরণে তার অনুপস্থিতি দলের জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তার দেশে ফেরার খবরে বিভিন্ন জেলায় আনন্দ মিছিল, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা হয়েছে। অনেক সাধারণ সমর্থক বলেন,এটি শুধু একজন নেতার ফেরা নয়,এটি বিএনপির মনোবলের ফেরা। সামনে যে কোনো নির্বাচন, আন্দোলন বা সংলাপ—সব ক্ষেত্রেই তার অবস্থান ও কৌশল এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে,
বিএনপির সংগঠনিক পুনর্গঠন ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই প্রত্যাবর্তন একটি বড় মনস্তাত্ত্বিক শক্তি দেবে। তবে মাঠের রাজনীতিতে এর বাস্তব প্রভাব নির্ভর করবে কৌশল, ঐক্য ও বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর।
তারা আরও বলেন,বাংলাদেশের রাজনীতিতে শুধু ব্যক্তি নির্ভর আবেগ নয়, কার্যকর কর্মসূচি এবং জনগণের দাবির সঙ্গে সঙ্গতি রাখা—এই দুইয়ের সমন্বয়ই মূলত একটি রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে থাকে।
দলটির নেতা–কর্মীরা বলছেন,সংগঠন সাজানো,তৃণমূলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে যুক্ত করা এবং আন্তর্জাতিক মহলে দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করা এখনই প্রধান চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে তৃণমূলের নেতারা মনে করছেন,নেতৃত্ব কাছে পাওয়া মানে সংগঠনের কাছে থাকা। আমরা বিশ্বাস করি এতে মাঠের রাজনীতি নতুন গতি পাবে।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে বিএনপির জন্য এক আবেগঘন মুহূর্ত। তবে রাজনীতির বাস্তবতায় সামনে রয়েছে বহু পরীক্ষা। যে পরীক্ষা কে ওভারকাম করে সংগঠন ধরে রাখা,জনগণের আস্থা অর্জন এবং জাতীয় রাজনীতিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে তারেক রহমান দেশে ফেরায় নড়েচড়ে বসেছেন অপজেশনে থাকা রাজনৈতিক দলগুলো। ফলে সে বিষয়টি মাথায় রেখেই সামনে অগ্রসর হতে হবে বলে রাজনীতিবিদদের এমনটি অভিমত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© shadhinbanglatv.com
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট