
নিজস্ব প্রতিবেদক:- মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ন্যায্য দাবি ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ২৬শে নভেম্বর (বুধবার) বগুড়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের উপ-পরিচালক ও ইনস্টিটিউট অফ হেলথ টেকনোলজি (আই.এইচ.টি) বগুড়ার অধ্যক্ষ বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (এম-ট্যাব) বগুড়া আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বি.এম.টি.এ প্রতিনিধি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মোঃ আরমান হোসেন ডলারের নেতৃত্বে বগুড়া অঞ্চলের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
সেই সময় মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—
এটিএম আমিনুল হক, মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ আবুল কাশেম, মোঃ শরিফুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ নয়ন মিয়া, মোঃ মাহমুদুল হাসান রানা, মোছাঃ নিগার সুলতানা রুপা ও মোছাঃ সানজিদা আক্তার।
ইনস্টিটিউট অফ হেলথ টেকনোলজি (আই.এইচ.টি) বগুড়া থেকে উপস্থিত ছিলেন— মোঃ শাজাহান আলী, মোঃ সালহে আহমেদ ও মোঃ আব্দুর রউফ।
এ ছাড়া বগুড়া বক্ষব্যাধি হাসপাতালের পক্ষ থেকে ছিলেন—
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মোঃ রেজাউল করিম ও মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
দাবি ও অবস্থান– বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন না হওয়ায় সারাদেশের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হয়েছেন।
তারা আরও জানান, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি এবং টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন জরুরি।
এম-ট্যাবের নেতা মোঃ আরমান হোসেন ডলার ঘোষণা দেন, ন্যায্য দাবি ১০ম গ্রেড বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। তাদের আশা, সরকারের সদর্থক পদক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত এই দাবি বাস্তবায়িত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবায় নতুন অগ্রগতির সূচনা হবে।
ন্যায্য দাবি সফল হোক — স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন হোক।