
পঞ্চগড় প্রতিনিধি তোতা মিয়,
পঞ্চগড় হাড়িভাসা ইউনিয়নের ৬ নং খপড়াবান্দী গ্ৰামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাবা মারা গেছে অনেক আগেই মা অন্যের ঘরে সংসার পেতেছে মা, গরিব দাদার সরকারি ঘরে শিশুটির লালন পালন, খেয়ে না খেয়ে চলছে তার জীবন যুদ্ধ, বয়স মাত্র ১১ বছর সেই সুযোগে তার আপন ফুপা জহিরুল ইসলাম (৪৫), ২ স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও সুযোগ বুঝে এই শিশুটিকে সুকৌশলে বাড়ির পাশের জয়গুণ মার্কেটে নাস্তা খাওয়ানোর নাম করে নিয়ে যায় এবং বাড়ি ফেরার পথে গোরস্থান সংলগ্ন একটি নির্জন বাজারের নিচে তাকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে।
জানা যায় এতে করে মেয়েটির লজ্জা স্থান ফেটে রক্ত ক্ষরণ হতে থাকে এ বিষয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে স্থানীয় হাড়িভাসা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য শামসুদ্দিন, জহিরুল ইসলাম, ভাতিজা হওয়ায় বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শিশুটির সুচিকিৎসা না করে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে ঘরবন্দী করে রাখে। এবং স্থানীয়দেরকে বুঝায় বিষয়টি আমি দেখতেছি সবার সঙ্গে আমার এ বিষয়ে কথা হয়েছে।
অন্যদিকে বিষয়টি জানার জন্য গণমাধ্যম কর্মীরা ইউপি সদস্যকে ফোন করলে তিনি ধরি মাছ নাচুই পানি এমন ভান করে বলেন এ বিষয়ে আমি তেমন কিছু জানি না তবে শুনেছি। মুঠো ফোনে ধর্ষক জহিরুল কে ফোন দিলে বলে আমি আমার চাচা ইউপি সদস্য এর সাথে পঞ্চগড়ে এসেছি কিছু বলতে হলে তার সঙ্গে বলুন। তখন থেকে ধর্ষক জহিরুলের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। জানা যায় ইউপি সদস্য শামসুদ্দিন জহিরুল কে পালাতে সহযোগিতা করেছেন।পরে গণমাধ্যম কর্মীদের বরাতে শিশুটিকে পঞ্চগড় হাসপাতালে এনে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করেন মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ধর্ষক জহিরুল ইতিপূর্বে তেমন আরও বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়েছে। তাই এলাকার মানুষের দাবি জহিরুল কে কিছুতেই যেন ছেড়ে দেওয়া না হয় তার বিচার চাই আমরা। তা না হলে এলাকায় এসে এমন ঘটনা আবারও করবে। ইতিমধ্যে বিষয়টি আপুস মীমাংসা করার জন্য জহিরুলের চাচা ইউপি সদস্য শামসুদ্দিন উঠে পড়ে লেগেছে তার সাথে হয়েছে এলাকার আরো কিছু অসাধু ব্যক্তি।