
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ের গ্রামীণ সড়ক গুলো দিয়ে বাইক নিয়ে চলাচল মানেই বিপদ, গ্রামীন সড়ক গুলোর ধারন ক্ষমতা না থাকলেও কর্তৃপক্ষের নাকের ডগার উপর দিয়ে দিব্যি চলছে দশ চাকার অভার লোডিং বালু পাথর বোঝাই ট্রাক।
জনসাধারণের চলাচলের সমস্যা সৃষ্টি করে রাস্তার মধ্যেই দশ চাকার ট্রাকে লোড দেওয়া হচ্ছে বালু। এছাড়াও সড়কের পাশে বালু স্টক করে এভাবেই নৈরাজ্য করছেন বালু ব্যবসায়ীরা তাছাড়াও জানা যায় বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে নেই কোন দেখভাল। পঞ্চগড়ের প্রায় সড়কে দেখা যায় এ ধরনের নৈরাজ্যের দৃশ্য।
স্থানীয়রা বলছেন এভাবে খোলামেলা বালু বহনের কারণে আমরা যারা রাস্তার পাশে বসতবাড়ি করে থাকি আমাদের ঘরবাড়ির আসবাসপত্র ধুলায় একাকার হয়ে যায়। আমরা শান্তিমত ঘরে বসে ভাত খেতেও পারিনা। এত পরিমাণে ধুলা আমাদের ঘরে ঢুকে।
কিন্তু কেন আমাদের এমন অসুবিধা করে তাদেরকে এভাবে বালু ব্যবসা করতে হবে। পঞ্চগড়ের সুশীল সমাজ বলছেন পঞ্চগড় যে হারে ধুলার নগরীতে পরিণত হয়েছে এতে করে নবজাতক শিশু ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের শ্বাসকষ্ট এলার্জি সহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
দেখা গেছে রাস্তার মধ্যে জমে থাকা বালুর মধ্যে স্লিপ করে পড়ে অনেক সাইকেল ও মোটরসাইকেল আরোহী আহত হয়েছে। মানুষের এমন সমস্যার সৃষ্টি করে কেন এভাবে খোলামেলা বালু ব্যবসা করতে হবে, এমন অভিযোগ জানান ভুক্তভোগীরা। এলাকাবাসীরা বলছেন লক্কর ঝক্কর আধাভাঙ্গা ট্রাক্টরের বিকট শব্দে মাটি পর্যন্ত কেঁপে ওঠে ঘরে বসে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
সুশীল সমাজের দাবি এভাবে বালু বহন না করে একটা নীতিমালার মধ্য দিয়ে বালু বহন করা উচিত। এ বিষয়ে পঞ্চগড় পরিবেশ অধিদপ্তর এর সাথে কথা হলে তারা বলছেন আমরা প্রায় সময় অভিযান পরিচালনা করছি কিন্তু আমরা অভিযান শেষ করে চলে আসলে আবার তারা এ ধরনের কাজ করে যাচ্ছে। এসব নিয়ন্ত্রণ করতে হলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করি আমরা।
অন্যদিকে সড়ক গুলো ভেঙ্গে মানুষের দুর্ভোগের কারণ জানতে চাইলে পঞ্চগড় এলজি ইডি কর্তৃপক্ষ বলেন আপনারা আগে ১০ চাকার ট্রাক বন্ধ করেন। কেননা এসব সড়ক ওভারলোডিং ১০ চাকার ট্রাক বহনযোগ্য নয়। এটা বন্ধ হলেই সড়কগুলো আশা করি ভালো থাকবে।