
স্টাফ রিপোর্টার
তাজলিমা খাতুন
গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মারুফ আহমেদ জানান, গতকাল শনিবার রাতে খবর পেয়ে নুসরাত রহমান মিম নামে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করি। আজ দুপুরের দিকে তার ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গলাকাটা অবস্থায় মরদেহের মুখ, মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধা/রালো অ/স্ত্রের আ/ঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। নিহত তরুণী পেশায় একজন ড্যান্সার ছিলেন এবং তার একটি নিজস্ব পার্লার ছিল। ইতোপূর্বে তার দুবার বিয়ে হয়েছিল এবং উভয় স্বামীর সঙ্গেই তার বিচ্ছেদ হয়েছে।
নি/হত মিমের বড় বোন শাহিদা বাদী হয়ে গুলশান থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে।
শাহিদা মামলার বলেন, আমার ছোট বোন সাদিয়া রহমান মীম বর্তমানে রাজধানীর কালাচাঁদপুরের পশ্চিমপাড়া পাকা মসজিদ সংলগ্ন ক-৮৯ নম্বর বাড়ির দ্বিতীয় তলার ২/বি ফ্ল্যাটে নুসরাত নামের এক তরুণীর সঙ্গে ভাড়া থাকতেন। আমার বোন ওই এলাকায় একটি পার্লার পরিচালনা করতেন এবং একটি বারে কাজ করতেন। তার সঙ্গে আমার নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হতো এবং আমি ইতোপূর্বে বেশ কয়েকবার তার বাসায় এসেছি। গত ১৬ জানুয়ারি আনুমানিক সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার সঙ্গে আমার মোবাইলে শেষ কথা হয়। ওইদিন রাতে তাকে ফোন দিলে মোবাইল বন্ধ পাই। পরদিন ১৭ জানুয়ারি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে আমার বোনের রুমমেট নুসরাতকে ফোন করলে তিনি জানান, তিনি দুই দিন আগেই গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন এবং সাদিয়ার ব্যাপারে কিছু জানেন না। এরপর আমি ১৭ জানুয়ারি বিকেলে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হই। ওই দিন রাত আনুমানিক ৯টার সময় আমার বোনের ভাড়া বাসায় পৌঁছে সেটি তালাবদ্ধ দেখতে পাই। তখন আমি বাড়ির মালিক ও আশপাশের লোকজনের সহায়তায় বাসার তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মীমকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। মর্নিং বিডি ডট নিউজ সংবাদ ধনবাড়ী টাঙ্গাইল বাংলাদেশ।