শাহীন সুলতানা, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ):
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বেগম রোকেয়া দিবস ও আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ- ২০২৫ উদযাপিত হয়েছে।
“নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হই, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করি” এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে গত ৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইয়াসিন খন্দকারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তমাল কান্তি মল্লিক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মাসুদ রানা, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এস.আর.এম.জি কিবরিয়া, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহবুবা সিদ্দিকী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাংবাদিক মো. নাঈমুজ্জামান নাঈম ও সাংবাদিক মো. সবুজ মিয়া সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কমচারীবৃন্দ।
নারী জাগরণ ও নারী অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্ম ও ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পালিত আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও রোকেয়া দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করা- সফল জননী, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যেমে জীবন শুরু করা, সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখা, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী এবং শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে অবদান রাখা নারীদের পাঁচটি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত করে অদম্য ৫ নারীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এদের মধ্যে সফল জননী মরিয়ম নেসা, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা নারী মোছা. আসমা বেগম, সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখা নারী সাংবাদিক ও নারী উদ্যোক্তা ফারজানা আক্তার, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী মহামায়া দাস এবং শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে অবদান রাখা নারী চৈতী রাণী দাসকে সংবর্ধনা দিয়ে তাদে হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও উপহার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
উল্লেখ্য, ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দে রোকেয়ার জন্ম। ১৯৩২ সালের একই দিনে তিনি কলকাতায় মারা যান। ক্ষণজন্মা মহীয়সী এই নারীর জন্ম ও মৃত্যুদিন ঘিরে প্রতিবছর পালন করা হয় রোকেয়া দিবস।